দ্বিতীয় পর্যায়ে সারাদেশের আরো ৫০০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হবে "শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব"। একইসঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে ডিজিটাল স্কুল সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রথমবারের মতো ৩০০টি "স্কুল অফ ফিউচার" স্থাপন করা হবে।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় আইসিটি বিভাগের এই প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
একনেক সভা শেষে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
সূত্রমতে, সরকারি অর্থায়নে এতে খরচ হবে ৯৩৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর। চলতি বছরের মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্প ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রকল্প অনুমোদনের পর এ বিষয়ে তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রকল্প অনুসোদন দেয়ায় আইসিটি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রাণপ্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ভাইয়ের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন (২য় পর্যায়) প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- ৫ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন (ইন্টারনেট সংযোগসহ), ৩৬ হাজার ২০ জন শিক্ষককে স্থানীয় প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রকল্প কার্যালয়ের জন্য ৩১টি ও ৫ হাজার ল্যাবের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার (প্রতি ল্যাবে ২৩টি করে) কম্পিউটার যন্ত্রাংশ সংগ্রহ, প্রকল্প কার্যালয়ের জন্য ৩১টি ও ৫ হাজার ল্যাবের জন্য ২ লাখ ৫৫ হাজার (প্রতি ল্যাবে ৫১টি করে) আসবাবপত্র সংগ্রহ, ৩০০টি ‘স্কুল অব ফিউচার’ প্রস্তুত করা, পরামর্শক ফার্ম নিয়োগ (২৯ জনমাস), আইসিটি বিষয়ে ৬০টি, কমিউনিকেটিভ ইংলিশ বিষয়ে ৮০টি ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা, ভাষাগুরু সফটওয়্যার ভার্সন-২ তৈরি, সেমিনার/কর্মশালা আয়োজন করা ৬৪টি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনবল নিয়োগ করা।